Skip to main content

Posts

Showing posts from 2021

রাজ্য বিজ্ঞান মেলায় কবিগানের প্রশংসা

কবিগানের প্রতি খুদে বিজ্ঞানীদের উন্মাদনা..             মহান বাঙালি বিজ্ঞানী আচার্য্য জগদীশ চন্দ্র বসু                        গণেশ ভট্টাচার্যঃ ২৯ নভেম্বর, ২০২১                                        সালটা ২০০৮, পশ্চিমবঙ্গ বিজ্ঞান মঞ্চ থেকে আমার কাছে ডাক এল রাজ্য বিজ্ঞান মেলায় বিজ্ঞানভিত্তিক কবিগান গাইতে হবে৷ মহান বাঙালি বিজ্ঞানী আচার্য্য জগদীশচন্দ্র বসুর সার্ধশতজন্মবার্ষিকীতে কলকাতার যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে রাজ্য বিজ্ঞান মেলার আয়োজন করা হয়েছে৷ পশ্চিমবঙ্গের সমস্ত জেলা থেকে বাছাই করা স্কুলপড়ুয়া খুদে বিজ্ঞানীরা তাদের অভিনব আবিস্কার এই মেলায় প্রদর্শন করবেন এবং বিজ্ঞানের অগ্রগতির জন্য প্রত্যেকের হৃদয়ে উদ্ভাসিত বৈজ্ঞানিক চিন্তাধারা মেলার কর্মশালায় ব্যক্ত করবেন৷ আমরাও আনন্দিত হলাম এ কথা ভেবে যদি কর্মকর্তাদের কাছে বিজ্ঞানমনস্কতার কিছু নতুন কথা শোনাতে পারি খুব ভাল লাগবে৷             ...

কৃতী বাঙালি সম্মান ২০২১ পুরস্কার পেলেন কবিয়াল গণেশ ভট্টাচার্য..

কবিগানে কৃতী বাঙালি সম্মান ২০২১ কৃতী বাঙালি সম্মান ২০২১ হাতে কবিয়াল গণেশ ভট্টাচার্য..              আন্তর্জাতিক বাঙালি সংস্থা 'বংকানেক্ট' একটি মনোজ্ঞ অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে নিজ ক্ষেত্রে স্বনামধন্য বাঙালিদের সম্মান জানালেন৷ গত ৮ অক্টোবর ২০২১ শুক্রবার কলকাতার যুবভারতী স্টেডিয়ামের স্টেডল হোটেলের গ্যালাক্সিতে এক বর্ণময় অনুষ্ঠানের মাধ্যমে দশজন গুণী বাঙালিকে "কৃতী বাঙালি সম্মান ২০২১" পুরস্কারে সম্মানিত করা হয়৷ কবিগানের উন্নতিসাধনকল্পে নিরলস অধ্যবসায় ও গবেষণার জন্য কবিয়াল গণেশ ভট্টাচার্যকে এই পুরস্কার দিয়ে সম্মানজ্ঞাপন করেন আন্তর্জাতিক বাঙালি সংস্থা "বংকানেক্ট"৷ এই সংস্থার তরফে মাননীয়া সুস্মিতা পাত্র বিশিষ্ট অতিথিবৃন্দের উপস্থিতিতে পুরস্কার প্রাপকগণের হাতে পুরস্কারগুলি তুলে দেন৷    বংকানেক্টের পক্ষ হতে কবিয়াল গণেশ ভট্টাচার্যের হাতে কৃতী বাঙালি সম্মান ২০২১ তুলে দিচ্ছেন মাননীয়া সুস্মিতা পাত্র..

কবিগান ওয়েবসাইটের উদ্বোধন..

কবিগানের ওয়েবসাইট           www.jaminiramkinkarkabigaan.com  গণেশ ভট্টাচার্য.. বাঁকুড়া :            বাংলার শ্রেষ্ঠ ঐতিহ্যপূর্ণ ও শিক্ষামূলক লোকগান হল কবিগান৷ বর্তমান ডিজিটাল যুগে কবিগান আরও আধুনিক৷ অবশ্য সব কবিগান দলের পরিবেশন কিন্তু সমান নয়৷ এখনও অধিকাংশ কবিয়াল সেই গতানুগতিক প্রবহমান ধারাকে আঁকড়ে আছেন৷ কিন্তু আমার মতে কবিগান যুগোপযোগী হওয়া প্রয়োজন, নতুবা কবিগান তার শেষ অস্তিত্বটুকুও অচিরেই হারিয়ে ফেলবে৷             চলমান প্রযুক্তির যুগে এরকম এক আধুনিক জনপ্রিয় কবিগানের দল "যামিনী রামকিঙ্কর কবিগান ট্রুপ"৷ সম্প্রতি বাঁকুড়ার এই প্রখ্যাত কবিগানের দলটির ওয়েবসাইটের উদ্বোধন হল জেলা তথ্য ও সংস্কৃৃৃৃৃৃৃতি দপ্তরে৷ গান্ধীবিচার পরিষদ ভবনে বিশিষ্ট অতিথিবর্গের উপস্থিতিতে ওয়েবসাইটটি উদ্বোধন করেন জেলা তথ্য ও সংস্কৃৃৃৃৃৃতি আধিকারিক মাননীয় শ্রী অরুণাভ মিত্র মহাশয়৷            আনন্দবাজার পত্রিকায় ..          কবিগান বিষয়ে আরও জানতে ও তথ্যসমৃৃৃৃৃৃৃদ্ধ লেখা পড়তে...

করোনা কেড়েছে কবিগানের আসর..

কোভিডের জেরে বন্ধ কবিগানের লড়াই..                                আনন্দবাজার পত্রিকায় প্রতিবেদন..  গণেশ ভট্টাচার্য-              বিশ্বজুড়ে কোভিডের তাণ্ডব, অতিমারির জেরে কোটি কোটি মানুষ এখন কর্মহীন৷ খেটেখাওয়া মানুষজন অর্থাৎ যারা দিন আনে দিন খায়, বিশেষতঃ শ্রমিক-মজুরগণ সবচেয়ে বেশি আতান্তরে পড়েছেন৷ তবে শিল্পীগণের অবস্থা আরও সঙিন কারণ এদের কোন মাসমাইনের ব্যবস্থা নেই৷ কবিগান, কীর্তন, বাউল আদি মাটিঘেঁসা শিল্পীরা যাদের অনুষ্ঠান পরিবেশন না করলে চলে না তাদের পক্ষে সংসার চালানোই এখন দুরূহ ব্যাপার৷ এসবের মূলে কিন্তু এক অজানা ভাইরাস— যার নাম কোভিড৷ আবার এই অতিমারির সুযোগে সুযোগসন্ধানী এক শ্রেণীর মানুষ মুনাফা লুটতেই ব্যস্ত৷ এ প্রসঙ্গে মহাভারতের একটা ঘটনা স্মর্তব্য৷ কুরুক্ষেত্রের যুদ্ধে কৌরব নিপাতনের পর একটা প্রবচন চালু হয়েছিল—"কারও পৌষমাস আর কারও সর্বনাশ৷" বর্তমান মহামারীর আবহেও শিল্পীগণের সর্বনাশই চলছে৷             কবিগান হল সবচেয়ে ঐতিহ্যপূর্ণ...

ডিজিটাল দুনিয়ায় কবিগান..

এক খ্যাতিমান চারণকবির গল্প লেখাটি পড়ুন টেকটাচটকে..    কবি ভজন দত্তের লেখা "ডিজিটাল যুগে এক খ্যাতিমান চারণকবির গল্প" পড়ুন নিচের লিংকে ক্লিক করে..   https://www.techtouchtalk.in/প্রতিবেদকের-সঙ্গে-আড্ডায়/

ভারত সেবাশ্রম সংঘ মালদায় কবিগান..

মালদহ শহরে ভারত সেবাশ্রম সংঘে কবিগানের লড়াই ৫ বৈশাখ, ১৪২৮ মালদহঃ   কবিয়াল গণেশ ভট্টাচার্য—                         গতবছর বিশ সাল থেকে করোনা বিষে বিশ্ব জর্জরিত৷ কোভিড১৯ এর প্রথম ঢেউ পশ্চিমবঙ্গের খুব একটা ক্ষয়ক্ষতি করতে না পারলেও দ্বিতীয় ঢেউয়ে বঙ্গবাসী নাকাল৷ সেকেণ্ড ওয়েভের প্রাক মুহূর্তে মালদহ শহরের ভারত সেবাশ্রম সংঘ থেকে মহারাজের ডাক পেলাম আশ্রমের বাসন্তীপূজায় কবিগান পরিবেশনার জন্য৷ এতদূরে একটা ভালো অনুষ্ঠানের কারণেই অতিমারির মধ্যেও সম্মত হলাম৷ বাঁকুড়া জেলায় আমাদের বাসস্থান থেকে মালদা শহর যাতায়াত সহ প্রায় ছয় শত কি.মি. রাস্তা৷ সুতরাং বাংলা নববর্ষের শুরুতে প্রখর নিদাঘে আতপতাড়িত না হয়ে ৪ বৈশাখ রাত দশটায় নৈশাহারান্তে যাত্রা শুরু করলাম৷ রাণীগঞ্জ, দুবরাজপুর, সিউড়ি, রামপুরহাট প্রভৃৃৃৃৃৃৃৃতি বড় শহরগুলি একে একে পেরিয়ে মোরগ্রামে এসে একটা হোটেলে কিছুক্ষণ বিশ্রাম নিলাম৷ চা-বিস্কুট খেয়ে পুণরায় গাড়ি স্টার্ট দিলাম এবং জঙ্গীপুর পেরিয়ে যখন গঙ্গানদীর উপর ফারাক্কা সেতুতে পৌঁছলাম তখন নিশি অবসানের পর চারিদিক ফর্সা হল৷ অবশেষে রাস্তার ...